কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের লক্ষ্যে উপযুক্ত ভূমি নির্ধারণে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের অংশগ্রহণে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আল-মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম), জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু ও হাসিবুর রহমান হাসিব, জেলা জামায়াতের আমীর আজিজুর রহমান স্বপন, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফি খান, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
সভায় কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণে স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা ও মতামত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পূর্ব নির্ধারিত নালিয়ার দোলা, ধরলা সেতুর পূর্ব পাড় এবং দাশেরহাটের ছড়া—এই তিনটি সম্ভাব্য স্থান নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
আলোচনা শেষে উপস্থিত সবাই একমত হন যে, ইউজিসির প্রতিনিধিদল সরেজমিনে সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করে প্রচলিত নীতিমালা ও কারিগরি বিষয় বিবেচনায় স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য উপযুক্ত ভূমি চূড়ান্ত করবেন। এ লক্ষ্যে ইউজিসির প্রতিনিধিদল শিগগিরই সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করবেন বলে সভায় জানানো হয়।
যে সভায় একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষক হঠাৎ নেতা হওয়ার কারণে স্থান পায় আর মির্জা নাসির স্যারের মতো একজন শিক্ষানুরাগী গুণী মানুষ অগোচরে রয়ে যায় সেই সভা নিয়ে কী আর বলার আছে?