জিপিএ-৫ পেয়েও উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তা, কুড়িগ্রামের পলাশের পাশে ছাত্রদল

একদিকে দারিদ্র্যের সঙ্গে প্রতিদিনের লড়াই, অন্যদিকে স্বপ্ন পূরণের অদম্য চেষ্টা। বাবা দিনমজুর। সংসারে অভাব নিত্যসঙ্গী। কখনো বাবার সঙ্গে কাজে যেতে হয়েছে, আবার সেই কাজের ফাঁকেই চালিয়ে যেতে হয়েছে পড়াশোনা। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর পলাশ চন্দ্র রায়।

পলাশ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ছড়ারপাড় জেলেপাড়ার বাসিন্দা। বাবা সুধাংশু চন্দ্র রায় দিনমজুর এবং মা পূর্ণিমা রানী গৃহিণী। দুই সন্তানের মধ্যে পলাশ বড়। মাত্র পাঁচ শতাংশ জমিতে বাবা ও চাচাসহ তিন পরিবারের বসবাস। আর্থিক সংকটের কারণে প্রাইভেট পড়ার সুযোগও হয়নি তার। নিজের চেষ্টা ও পরিশ্রমেই পড়াশোনা চালিয়ে গেছে সে।

বড়ভিটা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ৭২ জন শিক্ষার্থী। উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৫ জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে পলাশ।

জিপিএ-৫ পেলেও উচ্চশিক্ষার খরচ চালানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল পলাশের পরিবার। এমন পরিস্থিতিতে তার পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা ও ফুলবাড়ী উপজেলা ছাত্রদল। পলাশের ভবিষ্যৎ পড়ালেখার সকল প্রকার খরচে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংগঠনটি।

কুড়িগ্রাম জেলা ও ফুলবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের নেতারা বলেন, পলাশের মতো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা যেন অর্থের অভাবে থেমে না যায়, সে জন্য তার পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Share With