তিস্তা নদী পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক সাড়া, শিগগিরই নতুন আলোচনার উদ্যোগ

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরই ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়ন শুরু করেছে সরকার। যথাযথ পর্যালোচনা শেষে এর মধ্যে হাসিনা সরকারের আমলে স্বাক্ষরিত ১০টি চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

২০ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি জানান, অবশিষ্ট চুক্তিগুলোও পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে।

তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার দেশের সার্বভৌম স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বেশ কিছু চুক্তি পুনর্বিবেচনার পর ১০টি বাতিল করা হয়েছে। অন্যগুলোও পর্যবেক্ষণে রয়েছে।”তার মধ্যে নতুন করে আলোচনার কথা বলেন তিস্তা নদী পানিবণ্টন চুক্তি (২০১১)।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে একটি খসড়া চুক্তি তৈরি হয়েছিল, যা ১৫ বছরের জন্য অন্তর্বর্তীকালীনভাবে কার্যকর করার কথা ছিল। খসড়া অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ পেত ৩৭.৫ শতাংশ এবং ভারত ৪২.৫ শতাংশ পানি। কিন্তু ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতার কারণে সে চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।

বর্তমান সরকার জানায়, তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা এখনও চলছে এবং তা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে অগ্রসর হবে।

Share With