কুড়িগ্রামে আনন্দঘন আয়োজনে দৈনিক করতোয়ার ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বহুল প্রচারিত জনপ্রিয় দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে কুড়িগ্রামে শোভাযাত্রা, আলোচনা ও কেককাটা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা আড়াইটায় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি শফি খানের সভাপতিত্বে ও দৈনিক করতোয়ার কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মিন্টুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ¦ সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ সোহেল।

এ সময় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন, জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান জুয়েল, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল আজিজ, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন, একটি গণমাধ্যমের দীর্ঘ পথচলা শুধু প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নয়, এটি মানুষের কথা তুলে ধরা, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি। দৈনিক করতোয়া দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে পাঠকের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি দেশের সংবাদপত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। ভবিষ্যতেও পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠ, সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের কথা আরও শক্তভাবে তুলে ধরবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা। দৈনিক করতোয়া বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখায় সম্পাদকের প্রতি বক্তারা কৃতজ্ঞা জানান। 

এছাড়া পত্রিকাটির উত্তরাত্বর সমৃদ্ধিকামনা করেন এবং পত্রিকার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু ও করতোয়া পরিবারের সকল সদস্যর সুস্থ্য ও র্দীঘায়ু কামনা করেন।

এসময় সিনিয়র সাংবাদিক শ্যামল ভৌমিক, খন্দকার একরামুল হক সম্রাট, ফজলে ইলাহী স্বপন, খ.ম. আতাউর রহমান বিপ্লব, বাদশাহ সৈকত, জাহিদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম রিগ্যান, শাহা আলম মিয়া, মো: নুরনবী মিয়া, আর্দশ পৌর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ মন্ডল, করতোয়া পত্রিকার এজেন্ট রানা সরকারসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিস, জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ, পত্রিকার এজেন্ট এবং বিক্রেতা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে কেক কাটেন অতিথিরা। পরে একটি শোভাযাত্রা বের হয়।

Share With