কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে নারী ধর্ষণের অভিযোগ, চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তঃনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ট্রেনে দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করে পাকশী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে দুই সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত ক্যান্টিন বয় আবু বকর সিদ্দিক আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তার দাবি, ওই নারীর সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দুলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ৩১ আগস্ট রাত ২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন নাটোর স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ করে ট্রিপল নাইন (৯৯৯)-এ ফোন দেন। পরে ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে সেদিন সকালে পার্বতীপুর থেকে অভিযুক্ত ক্যান্টিন বয় আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। একই দিন সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পাকশী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, বগুড়ার আদমদীঘি আমলী আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে অভিযুক্ত আবু বকর সিদ্দিক দাবি করেন, ওই নারীর সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে। এটি কোনো ধর্ষণের ঘটনা নয় বলেও দাবি করে ওই যুবক।

ঘটনার তদন্তে রেলওয়ে পুলিশের ঈশ্বরদী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দ্বীন-ই-আলমকে প্রধান করে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে পুলিশ সুপারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

Share With