কুড়িগ্রামে ফিস্টুলা রোগী শনাক্তকরণ ও নির্মূল কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে একটি অ্যাডভোকেসি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২২ নভেম্বর) সিভিল সার্জন অফিসের সভাকক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, কুড়িগ্রাম ল্যাম্ব–এফআরআরই প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপী এই সভার আয়োজন করে। ল্যাম্ব ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)-এর সার্বিক সহযোগিতায় প্রকল্পটি কুড়িগ্রাম জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সভায় কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. নূর নেওয়াজ আহমেদ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আ.ন.ম. গোলাম মোহাইমেন, গাইনি কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমা খাতুন এবং কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার প্রমুখ।
এছাড়া বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী (এসআরএমএনসি আইসিএইচ–ল্যাম্ব), চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সুমাশ্রী রায় (ডিএসআরএইচআরসি–জাপাইগো), প্রকল্প কর্মকর্তা বাদল এক্কা (এসআরএমএনসি আইসিএইচ–ল্যাম্ব), জেলা ফ্যাসিলিটেটর (ফিস্টুলা) মঞ্জু আরা বেগমসহ অনেক গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা বলেন, কুড়িগ্রামকে ফিস্টুলা-মুক্ত জেলা গড়ে তুলতে হলে সব বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি।
মাঠপর্যায়ে রোগী শনাক্তকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
বক্তারা আরও জানান, ২০২৫ সালে ফুলবাড়ী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলাকে ফিস্টুলা ফ্রি ঘোষণা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে পুরো জেলায় ফিস্টুলা নির্মূলের লক্ষ্য সামনে রেখে ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে উপজেলা পর্যায়ের কার্যক্রমের বাস্তবায়ন ও কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।