ছ’মিল কর্মীর হাতে ময়দা-গাম দিয়ে ফুটে ওঠে মানুষের প্রতিচ্ছবি

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নে ছ’মিলের কাজের ফাঁকেই গড়ে উঠছে ব্যতিক্রমী এক শিল্প। গাম ও ময়দা দিয়ে হাতের নিপুণ ছোঁয়ায় যে কোনো মানুষের ছবি ফুটিয়ে তুলছেন বিশাল আহমেদ জসিম।

ছ’মিল শ্রমিক হলেও বিশাল আহমেদ একাধারে শিল্পী। সারাদিন কড়া পরিশ্রমে মগ্ন থাকলেও কাজের ফাঁকে তিনি সময় বের করেন সৃষ্টিশীলতার জন্য। গাম আর ময়দা—এই দুটি উপকরণই তার তুলির কাজ করে। কোনোরকম রঙ বা ক্যানভাস ছাড়াই তিনি সৃষ্টি করেন জীবন্ত প্রতিকৃতি।

তার এই সৃষ্টিশীলতা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোড়ন তুলেছে। স্থানীয়দের মধ্যে বিস্ময় ও প্রশংসার সুর—একজন সাধারণ ছ’মিল কর্মী কীভাবে এতটা নিখুঁত শিল্প সৃষ্টি করতে পারেন, সেটিই ভাবনার বিষয়।

বিশাল আহমেদ বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আঁকার প্রতি আগ্রহ ছিল। কিন্তু সঠিক প্ল্যাটফর্ম পাইনি। পরে নিজেই নিজেকে শেখাতে শেখাতে গাম-ময়দাকে মাধ্যম বানিয়েছি।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তার এই প্রতিভা যদি সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পায়, তাহলে বিশাল আরও বড় পরিসরে তার শিল্প ছড়িয়ে দিতে পারবেন।

শিল্পের প্রতি এই ব্যতিক্রম ভালোবাসা যেমন অনুপ্রেরণা দেয়, তেমনি তুলে ধরে—প্রতিভা কখনও জায়গা, পেশা বা সুযোগের মুখাপেক্ষী নয়।

Share With