কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি অটোভ্যানের সিটের নিচ থেকে ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। রোববার (৬ জুলাই) দুপুর প্রায় ২টার দিকে উপজেলার জামতলা মোড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট এলাকা থেকে আসা একটি অটোভ্যানে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে ভ্যানের সিটের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা তিনটি লাল প্যাকেটে মোড়ানো মোট ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় আটক করা হয় দুইজনকে। তারা হলেন—১. মো. গোলাপ হোসেন (৩২), পিতা: মো. মজিবর হোসেন, মাতা: মোছা. গোলাপি বেগম, গ্রাম: পাথরডুবি, ৭ নম্বর ওয়ার্ড। ২. মো. সিরাজুল ইসলাম (২৩), পিতা: মো. আব্দুর রহিম, মাতা: ইছাতন বেগম, গ্রাম: পাথরডুবি, ৭ নম্বর ওয়ার্ড।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, পাথরডুবি ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় গাঁজা চোরাচালানের অন্যতম একটি রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এ কারণে ওই এলাকায় পুলিশের নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার এবং দুই মাদক কারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। উদ্ধারকৃত গাঁজা জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার আরও বলেন, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পুলিশ দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও চোরাচালানমুক্ত ভূরুঙ্গামারী উপজেলা গড়ে তুলতে পুলিশের নিয়মিত অভিযান ও ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।