বিবাহ-পূর্ব প্রস্তুতিমূলক পরামর্শ : টেকসই দাম্পত্য ও সুন্দর সমাজ গঠনের ভিত্তি

প্রফেসর মীর্জা মো: নাসির উদ্দিন

যেকোনো কাজে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য লাভ এবং তা নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করার মূল ভিত্তি হলো উপযুক্ত প্রশিক্ষণ। সামরিক নীতিতে একটি কথা প্রচলিত আছে—‘প্রশিক্ষণে যত বেশি ঘাম ঝরবে, যুদ্ধে তত কম রক্ত ঝরবে।’ অর্থাৎ পূর্বপ্রস্তুতি ও চর্চা যত কঠোর হবে, বাস্তব ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন তত সহজ হবে। রণক্ষেত্রের মতো দাম্পত্যের মতো একটি দীর্ঘমেয়াদি ও স্পর্শকাতর সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিবাহের পূর্বেই সঠিক মানসিক প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

আমাদের দেশে সংবাদের শিরোনাম কিংবা সংখ্যাতত্ত্বের নির্মম আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে হাজারো ভাঙা স্বপ্নের নীরব আর্তনাদ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি হাজারে ১.১ থেকে ১.৪টি পরিবার বিচ্ছেদের মুখে পড়ছে, যার হার শহরের চেয়ে গ্রামে আরও তীব্র (প্রতি হাজারে ১.৫)। রাজধানী ঢাকায় বছরে প্রায় ১২,০০০ থেকে ১৩,৫০০টি বিচ্ছেদ ঘটে। সিটি কর্পোরেশনের শত প্রচেষ্টায় মাত্র ২% থেকে ৫% দম্পতির ফাটল জোড়া লাগে, বাকি ৯৫% সংসারই চিরতরে ভেঙে যায়। বিশ্বস্ততার অভাব বা পরকীয়া (২২.৬%), বনিবনার অভাব (২২%), পারিবারিক নির্যাতন ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এর অন্যতম প্রধান কারণ।

জীবনের ছোট ছোট কাজের জন্যও আমরা কত আয়োজন ও প্রস্তুতি নিই; অথচ দাম্পত্যের মতো এত বড় দায়বদ্ধতায় পা রাখি কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই! কেবল আবেগ দিয়ে শুরু হওয়া বন্ধন যেন বাস্তবের ঝড়ে ভেঙে না পড়ে, তার জন্য প্রয়োজন সঠিক দিক-নির্দেশনা। একটি স্থিতিশীল ও স্থায়ী পরিবার গঠনে বিবাহপূর্ব প্রশিক্ষণ বা কাউন্সেলিং তাই এখন আর বিলাসিতা নয়, সময়ের পরম দাবি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিবাহপূর্ব প্রশিক্ষণের সফল প্রয়োগ ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিবাহপূর্ব প্রশিক্ষণ ও এর সাফল্য

১৯৯০-এর দশকে দ্রুত নগরায়নের ফলে মালয়েশিয়ায় দাম্পত্য কলহ ও তালাকের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। এ সমস্যা সমাধানে মালয়েশিয়া সরকার (বিশেষ করে JAKIM) ও সামাজিক সংস্থাগুলো ১৯৯০-এর মাঝামাঝি একটি সমন্বিত বিবাহপূর্ব প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করে। ১৯৯৬ সালে প্রণীত “Modul Bersepadu Kursus Pra Perkahwinan Islam” (MBKPPI) নির্দেশিকাটি ১৯৯৭ সাল থেকে বাধ্যতামূলক করা হয়।

বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে ইচ্ছুক প্রতিটি নারী-পুরুষের জন্য অন্তত দুই দিনের এই কোর্স সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট অর্জন করা বাধ্যতামূলক। এতে কেবল ধর্মীয় নিয়মকানুনই নয়, বরং যোগাযোগ, পারিবারিক অর্থ ও আইন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মতো বাস্তবমুখী বিষয়গুলো শেখানো হয়।

ফলাফল ও প্রভাব:

বিচ্ছেদ ও সহিংসতা হ্রাস: তরুণ-তরুণীরা আবেগপ্রবণ না হয়ে বাস্তববাদী মনোভাব নিয়ে সংসার শুরু করতে শেখে, ফলে পারিবারিক সহিংসতা ও বিচ্ছেদের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।

বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি: টেকসই পারিবারিক কাঠামো গঠনে বাস্তবমুখী এই প্রাক-বিবাহ মডেলটি বিশ্বজুড়ে একটি “গ্লোবাল রোল মডেল” হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

‘ওকলাহোমা ম্যারেজ ইনিশিয়েটিভ’ (Oklahoma Marriage Initiative – OMI)

১. প্রেক্ষাপট ও চালিকাশক্তি (১৯৯৯)

১৯৯০-এর দশকের শেষভাগে ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যে বিবাহবিচ্ছেদের (Divorce) হার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গড়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। সেখানে প্রতি ১,০০০ বিবাহিত দম্পতির মধ্যে ডিভোর্সের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি, যা স্থানীয় প্রশাসনকে চিন্তিত করে তোলে। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে ওকলাহোমা রাজ্য সরকার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগে ‘ওকলাহোমা ম্যারেজ ইনিশিয়েটিভ’ (OMI) চালু করা হয়। এটি ছিল মূলত একটি গবেষণা-ভিত্তিক বিবাহপূর্ব এবং বিবাহোত্তর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

২. মূল পরিসংখ্যান ও গবেষণার ফলাফল

দীর্ঘ ১০ বছরের তথ্য পর্যালোচনা ও গবেষণায় জানা যায় যে, যারা এই প্রশিক্ষণে (Relationship and Marriage Education) অংশ নিয়েছিলেন, তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের স্থায়িত্ব এবং সার্বিক সন্তুষ্টির মাত্রা (Relationship Quality/Satisfaction) সাধারণ বা অপ্রশিক্ষিত দম্পতিদের তুলনায় প্রায় ৩০% বেশি।

গবেষণায় দেখা যায়, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দম্পতিদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা পারিবারিক দ্বন্দ্ব সমাধানের (Conflict Resolution) সক্ষমতা সাধারণ দম্পতিদের চেয়ে ৫০%-এরও বেশি উন্নত হয়েছে। আর্থিক বা পারিবারিক চাপের মুখেও এই দম্পতিদের বিচ্ছেদের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কম ছিল।

৩. যেভাবে এটি কাজ করেছিল

প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরা সঙ্গীর কথা শোনা এবং রাগের মাথায় সিদ্ধান্ত না নিয়ে যুক্তিযুক্তভাবে উপস্থাপনে দক্ষতা অর্জন করে। পারিবারিক কলহ কীভাবে আইনি বিচ্ছেদ বা ভাঙনের দিকে না নিয়ে গিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা যায় সে ব্যাপারে ইতিবাচকতা পরিলক্ষিত হয়। বিয়ের পর দম্পতিদের দায়িত্ব এবং বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য তারা নিজেদেরকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে।

৪. সামগ্রিক প্রভাব

ওকলাহোমার এই উদ্যোগটির সফলতা পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অনেক রাজ্য এমনকি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও মডেল হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এটি প্রমাণ করে যে, যথাযথ কাউন্সেলিং এবং শিক্ষামূলক দিক-নির্দেশনা একটি পরিবারের বন্ধন দৃঢ় রাখতে এবং অকাল বিচ্ছেদ রোধে কতটা কার্যকরী হতে পারে।

সিঙ্গাপুরের বিবাহপূর্ব প্রশিক্ষণ (Pre-Marriage Education)

সিঙ্গাপুর সরকারের সমাজ ও পরিবার উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (MSF)-এর সহায়তায় দম্পতিরা অনুমোদিত বিবাহপূর্ব কোর্স সম্পন্ন করলে ৭০ সিঙ্গাপুরি ডলার ফি ছাড় লাভ করেন। তরুণ দম্পতিদের জন্য ‘First One Year Online Program’ (FOCP) এবং মুসলিম দম্পতিদের জন্য ‘Skim Bimbingan Rumah Tangga’ বা ‘SMPC’ (Islamic Pre-Marriage Course)-এর অধীনে বছরে হাজার হাজার দম্পতিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

MSF-এর সমীক্ষা ও তথ্যানুসারে, বিবাহপূর্ব কোর্স সম্পন্নকারী দম্পতিদের মধ্যে বিয়ের প্রথম ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের হার বা marital breakup rate সাধারণ দম্পতিদের চেয়ে প্রায় ২০%-৩০% কমে আসে। কোর্স সম্পন্নকারী প্রায় ৯০% দম্পতিই মতামত দিয়েছেন যে, এই প্রশিক্ষণ তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

ইরানে ১৯৯৩ সালে প্রবর্তিত এই ব্যবস্থাটি বিশ্বজুড়ে একটি সফল স্বাস্থ্য ও পারিবারিক নীতির উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। নিচে পরিসংখ্যানগত ডেটা ও ঘটনার মাধ্যমে এর সাফল্য ব্যাখ্যা করা হলো:

১. পরিসংখ্যানগত ডাটা ও প্রভাব (Statistical Impact)

১৯৮৮ সালে যেখানে ইরানে নারী প্রতি প্রজনন হার (Total Fertility Rate) ছিল ৬.৫, বাধ্যতামূলক বিবাহ-পূর্ব কাউন্সেলিং ও পরিবার পরিকল্পনার ফলে ২০০০-এর দশকের সূচনায় এটি কমে ১.৮ থেকে ২.০-তে নেমে আসে, যা “ইরানি মিরাকেল” নামে পরিচিত। প্রশিক্ষণের ফলে ইরানে আধুনিক বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৭০% বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় দেখা গেছে, বাধ্যতামূলক এই প্রশিক্ষণ গ্রহণের ৪ মাস পর দম্পতিদের দাম্পত্য সন্তুষ্টি (Marital Satisfaction), যোগাযোগ দক্ষতা ও যৌন স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা প্রশিক্ষণ বিহীনদের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯৭ সালে বিবাহ-পূর্ব স্ক্রিনিংয়ে ‘থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia)’ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়। ফলে গত দুই দশকে ইরানে নতুন করে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর জন্মহার ৯০%-এরও বেশি হ্রাস পেয়েছে।

২. নীতি বাস্তবায়নের সফল ঘটনা (Practical Implementation Example)

ইরানে বিয়ের সরকারি নিবন্ধন (Marriage License) পাওয়ার জন্য সরকারের নির্ধারিত স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে বাধ্যতামূলক কাউন্সেলিং সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। ইসলামি শরিয়তের সাথে সঙ্গতি রেখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ধর্মীয় নেতাদের যৌথ উদ্যোগে এই কোর্সগুলো ডিজাইন করা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ কোনো সামাজিক দ্বিধা বা সংকোচ ছাড়াই যৌন স্বাস্থ্য, মানসিক নিরাপত্তা ও পারিবারিক যোগাযোগ সম্পর্কিত পাঠ্যসূচি গ্রহণ করতে পেরেছে।

প্রশিক্ষণের ক্ষেত্র: দম্পতিদের পৃথক ও যৌথ সেশনে পরিবার পরিকল্পনা, প্রজনন স্বাস্থ্য, এসটিডি (STD) প্রতিরোধ, সংঘাত নিরসন (Conflict Resolution) এবং মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের দ্বারা সরাসরি শিক্ষা দেওয়া হয়।

একটি গবেষণা 

আমেরিকান মনস্তাত্ত্বিক ড. জন গোটম্যান চার দশক ধরে হাজার হাজার দম্পতির জীবন বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন—একটু মানসিক প্রস্তুতি আর সঠিক কৌশল জানলে ভাঙনের মুখ থেকেও একটি সংসারকে বাঁচানো সম্ভব। এ ব্যাপারে তার ‘লাভ ল্যাব’-এ একটি নবদম্পতির মোড় ঘোরানো ঘটনা তুলে ধরা হলো। তিনি ডেভিড ও সারা নামের এক তরুণ দম্পতিকে নিয়ে একটি সহজ কিন্তু অসাধারণ কৌশল পরীক্ষা করেছিলেন।

ড. গোটম্যান মনে করেন যে দাম্পত্যের ৪টি নীরব শত্রু সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে, তা হলো: ১. কড়া ভাষায় সমালোচনা করা, ২. সঙ্গীকে অবজ্ঞা বা ছোট করা, ৩. নিজের ভুল না মেনে শুধু আত্মপক্ষ সমর্থন করা, ৪. কথা বন্ধ করে সম্পর্কের মাঝে নীরবতার দেয়াল তুলে দেওয়া। তিনি তাঁর গবেষণায় সম্পর্ক বাঁচানোর ২টি সহজ পথের কথা বলেছেন— (১) মিষ্টি সুরে কথা শুরু করা (Soft Startup): মনের ভেতরে রাগ বা ক্ষোভ থাকলেও চিৎকার না করে শান্ত ও সহানুভূতিশীল গলায় নিজের মনের কথা বলা এবং (২) পরিস্থিতি হালকা করা (Repair Attempt): তর্কের উত্তাপ যখন বাড়তে থাকে, তখন হুট করে কোনো কৌতুক করা, পুরনো কোনো মিষ্টি স্মৃতির কথা মনে করিয়ে দেওয়া কিংবা সঙ্গীর হাতটি ছুঁয়ে পরিবেশ কিছুটা হালকা করে ফেলা।

বাস্তব জীবনের পরীক্ষা

বিয়ের কয়েক বছর পর ডেভিড ও সারা যখন বড় ধরনের আর্থিক ও পারিবারিক কষ্টে পড়েন, তখন তাঁদের মধ্যেও তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। অন্য যে কোনো সাধারণ ক্ষেত্রে হয়তো ওই দিনই তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যেত। কিন্তু সারা হুট করে তর্কের মাঝেই থেমে যান। তিনি প্রশিক্ষণে শেখা “রিপেয়ার অ্যাটেম্পট” প্রয়োগ করে পুরনো একটি মজার স্মৃতি মনে করিয়ে দেন। মুহূর্তে বদলে যায় পরিবেশ; রাগ গলে পানি হয়ে যায় এবং তাঁরা দুজন একসাথে বসে সমস্যার সমাধান করে ফেলেন।

উপসংহার

একটি সুস্থ, সচেতন ও টেকসই সমাজ গঠনের মৌলিক ভিত্তি হলো একটি শক্তিশালী পরিবার ব্যবস্থা। বর্তমানে বাংলাদেশে দ্রুত বর্ধনশীল বিবাহ বিচ্ছেদ, প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অজ্ঞতা এবং থ্যালাসেমিয়ার মতো বংশানুক্রমিক রোগের ঝুঁকি নিরসনে বিবাহ-পূর্ব প্রশিক্ষণ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে। বিশ্বমঞ্চে ইরানের মতো সফল মডেলের আলোকে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের সঠিক সমন্বয় ঘটিয়ে এই নীতি বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি। বিবাহের পূর্বে আইনগত বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে দম্পতিদের মনস্তাত্ত্বিক, স্বাস্থ্যগত ও সংঘাত নিরসনের মৌলিক শিক্ষা প্রদান করা সম্ভব হলে তা কেবল একটি সফল দাম্পত্য জীবনের পথই সুগম করবে না, বরং উন্নত ও স্বাস্থ্যবান ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে।

লেখক: অধ্যক্ষ (পি আর এল), কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, কুড়িগ্রাম।

Share With

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *