কুড়িগ্রাম জেলার ৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থিত গ্রাম আদালতগুলো গত এক বছরে মোট ২ হাজার ৩৩৫টি মামলা নিষ্পত্তি করেছে। এসব মামলার মধ্যে ছিল দেওয়ানি ও ফৌজদারি—যা গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।
মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা’ শীর্ষক সভায় এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি.এম কুদরত-এ-খুদা।
এভিসিবি-৩ প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক দৌলতুন নেছা সভায় জানান, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত গ্রাম আদালতে সুবিধাবঞ্চিত বিচারপ্রার্থীরা মোট ২ হাজার ৫১৫টি আবেদন জমা দেন। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয় ২ হাজার ৩৩৫টি মামলা। একই সময়ে বিচারপ্রার্থীরা ক্ষতিপূরণ বাবদ মোট ১ কোটি ৫১ লাখ ৬২ হাজার ৩২০ টাকা পান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ বলেন, “ইউনিয়নের ভালো-মন্দ সবকিছু দেখার দায়িত্ব ইউপি চেয়ারম্যানদের। সীমানা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বসহ স্থানীয় বিরোধ গ্রাম আদালতের মাধ্যমে গুরুত্ব সহকারে নিষ্পত্তি করতে হবে। আদালতের এজলাস সংস্কার এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় নাগরিকদের সমান দৃষ্টিতে দেখা জরুরি। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সকলকে আন্তরিক হতে হবে।”
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রিতম কুন্ডু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তারুজ্জামান, প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাহফুজার রহমান, সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।