রৌমারীতে লজিক প্রকল্প পরিদর্শনে পরিকল্পনা কমিশনের উপ-প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক। ১৭ জুলাই, ২০২৫

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে লোকাল গভর্ণমেন্ট ইনিশিয়েটিভ অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (লজিক) প্রকল্পের আওতায় সৌরচালিত সেচ ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান বিভাগের স্থানীয় সরকার ও সমন্বয় অধিশাখার উপ-প্রধান রুহুল আযম।

বুধবার বিকেলে তিনি যাদুরচর ইউনিয়নের বকবান্দা নামাপাড়া এলাকায় জিঞ্জিরাম নদী থেকে সৌরচালিত পাম্পের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করে পরিচালিত সেচ প্রকল্পটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

২০২২-২৩ অর্থবছরের আওতায় (বাস্তবায়ন: ২০২৪ সালে) ১৭ লাখ ৭৩ হাজার ৩১৫ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের মাধ্যমে ২ হাজার ৪৪০ শতাংশ জমি (প্রায় ২.৪৪ একর) সেচের আওতায় আনা হয়েছে।

এই সেচ সুবিধার মাধ্যমে ৬২টি পরিবারের প্রায় ৪৫০ জন সদস্য উপকৃত হচ্ছেন। পূর্বে প্রতি বিঘায় (৬২ শতাংশ) সেচ বাবদ খরচ হতো প্রায় ১২ হাজার টাকা, যা এই প্রকল্পের মাধ্যমে অর্ধেকে নেমে এসেছে—৬ হাজার টাকায়। এতে প্রতিবার ফসল উৎপাদনে কৃষকদের ৬ হাজার টাকা করে এবং বছরে আনুমানিক ৪ লাখ টাকার সাশ্রয় হচ্ছে।

প্রকল্পটি সাত সদস্যের রক্ষণাবেক্ষণ কমিটি ও একজন কেয়ারটেকারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষত রৌমারী উপজেলার বিদ্যুৎঘাটতিপূর্ণ অঞ্চলে সৌর শক্তিভিত্তিক সেচ ব্যবস্থা একটি কার্যকর সমাধান হিসেবে ভূমিকা রাখছে। বিদ্যুৎ বা জ্বালানি তেলের প্রয়োজন না হওয়ায় এটি একটি পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং জলবায়ু সহনশীল প্রকল্প হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার, যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, লজিক প্রকল্পের কুড়িগ্রাম ডিসিসি মো. মুছা, ডিসিএফসি খোকন কুমার কুন্ড, প্রকল্প প্রকৌশলী সাহেদ হাসান ও উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর নজরুল ইসলাম।

Share With