অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে শাহজালাল সবুজের বিবৃতি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজের নামে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগে আজ রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় তিনি এক লিখিত বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিতে তিনি তার নামে আনীত অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বলে আখ্যা দিয়ছেন। তার প্রদত্ত বিবৃতিটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করার লক্ষ্যে একটি মহল আমাকে ও আমার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কে জড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে

ভিশন এন্টারপ্রাইজ এর একক মালিক ও প্রোপাইটর হচ্ছেন রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট)। যিনি তার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের চেক দিয়ে বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছে টাকা দিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে, এটি একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু আমি লক্ষ্য করছি যে, কিছু নামি বেনামী ফেসবুক আইডি/অনলাইন পোর্টাল /পেজ/সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আমাকে জড়িয়ে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, যা একেবারেই ভিত্তিহীন , বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমার ব্যক্তিগত ও সংগঠনের ইমেজকে ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্যে এবং প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করার ষড়যন্ত্র বলে আমি মনে করি। 

প্রতিষ্ঠান যে তার একক তার প্রমাণস্বরূপ কিছু ডকুমেন্ট উপস্থাপন করছি:

– প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স তার একক নামে, যা ২০১৫ সালে করা(কপি সংযুক্ত)

– ব্যাংক একাউন্ট তার একক নামে(কপি সংযুক্ত )

– চেকের সিগনেটরি তিনি একাই(কপি সংযুক্ত )

– ব্যাংক একাউন্টের নমিনি তার স্ত্রী (কপি সংযুক্ত )

জনাব রফিকুল ইসলাম রাজারহাট যে ভিশন এন্টারপ্রাইজ নামীয় চেক দিয়ে টাকা সংগ্রহ করেছেন সেই ব্যাংক একাউন্টে ২০১৫ সালের তার একক নামীয় প্রোপাইটরশীপের ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে খোলা, যেখানে অংশীদারি চুক্তি করা হলো ২০২০ সালে সুতরাং কি করে ঐ ভিশন এন্টারপ্রাইজ এবং ২০২০ সালের অংশীদারি চুক্তির ভিশন এন্টারপ্রাইজ একই হয়?

ইদানিং দেখা যাচ্ছে ২৩/২/২০২৩ ইং তারিখে জনাব রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট)  ভিশন এন্টারপ্রাইজ তার প্রতিষ্ঠানের নামে ইউনাইটেড ফাইনাল পিএলসির নিকট ৩৫ লক্ষ টাকা লোন গ্রহণ করে (কপি সংযুক্ত)। উক্ত লোনের গ্রান্টার হিসেবে তার স্ত্রী রিজিয়া সুলতানা স্বাক্ষর করেন এবং সাক্ষী হিসেবে তার আপন বড় ভাই রাশেদুল ইসলাম এবং তার স্ত্রীর বড় ভাই  আতিকুর রহমান স্বাক্ষর করেন। যদি অংশীদারী চুক্তির প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকে তাহলে ঐ বিনিয়োগ/লোনের গ্রানটার অথবা সাক্ষী হিসেবে অন্যান্য অংশীদাররা থাকার কথা কিন্তু সেটি না থাকায় ইহাই প্রমাণ করে যে ভিশন এন্টারপ্রাইজ জনাব রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট) এর একান্ত ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। 

সুতরাং আমি অপপ্রচারকারীদের কে আহবান করব প্রকৃত সত্য ঘটনা জানুন ও সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করুন। মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে অন্যের চরিত্র হনন করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের আহ্বান করছি।

Share With