দেশে স্মার্টফোন ব্যবহার দ্রুত বাড়লেও জেলা ও অঞ্চলের ভিত্তিতে ব্যবহারে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। কোথাও প্রযুক্তি ব্যবহারে এগিয়ে থাকা, আবার কোথাও পিছিয়ে থাকার চিত্র উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক জরিপে। বিশেষ করে স্মার্টফোন ব্যবহারে কোন জেলা শীর্ষে, তা নিয়েও এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে প্রকাশিত সংস্থাটির সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে ফেনী। এরপর আছে যথাক্রমে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, চাঁদপুর ও শরীয়তপুর।
সবচেয়ে পিছিয়ে আছে গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, শেরপুর, ঝালকাঠি, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড়।
জরিপে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ-তরুণীদের ডিজিটাল অভ্যাসে সবচেয়ে বড় জায়গা দখল করে আছে চাকরির তথ্য অনুসন্ধান। অনলাইনে প্রবেশ করলেই অধিকাংশ তরুণের লক্ষ্য থাকে সরকারি চাকরির খোঁজ। এর পাশাপাশি ক্রীড়াবিষয়ক তথ্যও তাদের আগ্রহের শীর্ষে রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, দেশের তরুণ-তরুণীরা অনলাইনে সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন সরকারি চাকরির তথ্য। এর হার ৬৪ দশমিক ২ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে ক্রীড়া সংক্রান্ত তথ্য। এটি ৪৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রতিদিন ৭২ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ অন্তত একবার ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন।
ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রয়েছে বৈষম্য। পরিবারভিত্তিক ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। এটি ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার। আর সর্বনিম্ন ময়মনসিংহে, যা ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার।
এ ছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে মোবাইল ব্যবহার করেন ৮৮ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, ইন্টারনেট ব্যবহার করেন ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ এবং কম্পিউটার ব্যবহার করেন ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। ইন্টারনেট ব্যবহারে শহর-গ্রামে রয়েছে বড় ধরনের বৈষম্য। গ্রামে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ, শহরে ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ।